ভালোবাসার মিস্টি গল্প

-- ইয়াক এটা কি পরেছিস? শয়তানের মত দেখাচ্ছে একদম
-- মানে? কি সমস্যা? ঠিকি তো আছে ভাইয়া
-- কিহ!! ঠিকাছে? মাথা ঠিক আছে তোর? আমার তো আগেই বোঝা উচিত ছিলো তোর রুচিবোধ সম্পর্কে! (ভিষন রেগে)
-- প্রবলেম টা কোথায় হচ্ছে সেটা তো বলবে
-- আপাদমস্তক প্রব্লেম হচ্ছে। কানি ভুত আসছে শাড়ি পরতে লাগছেটা কেমন যেনো কোনো সার্কাসে সং দেখতে এসেছি। চশমার সাথে শাড়ি যায়? তাও আবার এমন টকটকে লাল রঙা?ছিইই
-- আমাকে সং লাগছে? (কেঁদে)
-- নাহ তো একদমি না আপনাকে নায়িকা লাগছে একদম যাত্রা পালার জঘন্য কালারফুল নায়িকাগুলোর মতো
( অপমানে একদম কেঁদেই ফেলি)
-- এখন কি চেইঞ্জ করে আসবো?(ভয়ার্ত চোখে)
-- কি বল্লি তুই?আমি কি তোর মত আজাইরা টাইম নিয়ে ঘুরি?হ্যা? (চিৎকার দিয়ে)

জাস্ট দুই মিনিট দিচ্ছি তোর এই হাতির লেজ মার্কা চুল গুলো বেধে ঠিক কর। নয়তো তোকে রেখেই চলে যাবো

ঠিক এভাবেই মিনহাজ ভাইয়া আমাকে অপমান করে ছোট করে কথা বলে। তার নজরে আমার চেয়ে কুৎসিত জঘন্য আর দ্বিতীয় কেউ নাই।
আজও তার ব্যাতিক্রম হয়নি
ভার্সিটির বর্ষবরণ অনুষ্ঠান এর জন্য খুব সখ করে শাড়ি পরেছিলাম।
আচ্ছা আমার কি দোষ? চোখের প্রবলেমের জন্য তো চশমা পরতেই হয় তাইনা?
চশমা ছাড়া তো আমি দুরের জিনিষ ঠিকভাবে দেখি ও না
চশমাওয়ালিদের নাকি শাড়ি পরা নিষেধ অদ্ভুত
এই লোকের সাথে বিয়ে হলে তো জীবন টাই শেষ হয়ে যাবে
আচ্ছা আমাকে যদি তার এতোই অপছন্দ তাহলে বিয়ে করছে কেনো?
বুঝিনা।

হ্যা মিনহাজ ভাইয়ের সাথেই আমার বিয়ে হবে
মোটামুটি সব কথাবার্তা ঠিকঠাক হয়ে আছে। এবং মাস দুই পর ই বিয়ে

মিনহাজ আমার মামাতো ভাই। আমি যে ভার্সিটিতে পড়ছি একি ভার্সিটির এক্স স্টুডেন্ট সে।
দুই বছর আগে সে এম বি এ করেছে এখান থেকেই। এখন জব নিয়ে বিজি।
ভার্সিটিতে আজ বর্ষবরণ আবার একিসাথে পুরোনো ছাত্রছাত্রীদের পুনর্মিলনী ও
সেই সুত্র ধরেই দুজন একি সাথে ভার্সিটির উদ্দেশ্যে বের হচ্ছি

বাইক থেকে নেমে ভার্সিটি গেটের দিকে যেতে যেতেই আবারো এক্টা ধাক্কা খেলাম

-- শোন অনু! আজকে আমার অনেক ফ্রেন্ডস আসবে। তাদের সামনে আবার ঢ্যাং ঢ্যাং করে বলতে যাসনা যে তুই আমার কাজিন, বা তুই আমার ফিওন্সে ওকে?

-- কেনো ভাইয়া?
-- ইশ!! খুব সখ তাইনা? নিজেকে আমার বউ বলে পরিচয় দেয়ার, আয়নায় চেহারা দেখসিস একবার? আমি চাইনা কেউ জানুক এরকম এক্টা ক্ষ্যাত জঘন্য পেত্নি, কানি,সং টাইপ মেয়ে আমার বউ হবে।
কেনো যে আমার মায়ের তোকে এতো পছন্দ।আর আমিও শালার বাধ্য সন্তান হয়েই ঠকে গেছি

-- তো বিয়ে হলে তো সবাই আমাকে তোমার বউ জানবে তাইনা?(তাচ্ছিল্যের সঙ্গে)
-- সেটা আমি বুঝবো
-- বেটার ছিলো তুমি আলাদা আসতে আমি আলাদা আসতাম
-- ঠিকি বলসিস নেক্সটে এমন ভূল আর হবেনা

ভিষন অপমানবোধ নিয়ে পুরো ফাংশানে এটেন্ড করতে হলো।
খুব কস্টে মুখে হাসি টেনে রেখেছি।কিন্তু আমার অন্তর জানে কতটা কান্না চেপে রাখা আছে

পুরো ফাংশান জুড়েই খেয়াল করলাম অনেকেই কেমন ড্যাবড্যাব করে চেয়ে আছে
আসোলেই হয়তো সং এর মতোই লাগছে। ইশ কেনো যে শাড়ি পরতে গেলাম

আমার নাম এনাউন্স হওয়ার পর নিজেকে যথেস্ট সামলে নিয়ে স্টেজের দিকে হেটে এসেছি।কারণ মিনহাজ ভাইয়া বলেছে আমাকে দেখতে জঘন্য লাগছে।
সে যে ঠিকি বলেছে তার প্রমান তো আসার পর থেকেই পাচ্ছি।

গানের গলা ভালো বলে আগে থেকেই কলেজ ভার্সিটির বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমি না চাইতেও স্যার /বড় আপু/ভাই আর ক্লাসমেট রা আমার নামটা জুড়ে দেবেই।

তাই অনেকটা বাধ্য হয়েই গাইতে হয়।
কিন্তু আজকের মতো এতো বিব্রতকর পরিস্থিতি তে কখনো পড়িনি
নিশ্চই মিনহাজ ভাই ও এখন আমার গান শুনতে পাবে।না জানি আবার কি কি খুঁত খুজে বের করে।

যদিও এখানে এসে উপস্থিত হওয়ার পর থেকে আমি একটিবার ও তাকে দেখিনি খুজার চেস্টাও করিনি
সে ই তো নিষেধ করেছে

নিরুপায় হয়ে গাইতে শুরু করলাম.....

তোমার ইচ্ছেগুলোওওও...ইচ্ছেগুলো
তোমার ইচ্ছেগুলো
ইচ্ছে হলে আমায় দিতে পারো...
আমার ভালোলাগা ভালোবাসা
তোমায় দেবো আরো

তুমি হাতটা শুধু ধরো
আমি হবোনা আর কারো.........

গান গাওয়ার সময় স্বভাবতই আমি চোখ বন্ধ করে ছিলাম।
গাওয়া শেষে চোখ খুলে দেখতে পেলাম উপস্থিত সহপাঠী/ জুনিয়র/ সিনিয়র সবার দৃষ্টিতেই রাজ্যের মুগ্ধতা
এটা নতুন কিছুনা কারন সবাই ই বলে আমি ভালো গাইতে পারি।

বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিচ্ছিলাম হঠাৎ পিছন থেকে কেউ একজন এর ডাক শুনলাম

-- এক্সকিউজ মি
-- আমাকে বলছেন?
-- ইয়েস! আমি আহনাফ, এই ভার্সিটির ডাবল এক্স স্টুডেন্ট ( হ্যান্ডশেক এর জন্য হাত বাড়িয়ে)
-- কিন্তু আপ্ননাকে কি আমি চিনি?
-- না, চিনতে এবং চিনাতেই এসেছি(মৃদু হেসে)
-- আচ্ছা,আর কিছু বলবেন?

-- আমার ইচ্ছেগুলো ইচ্ছে হয়েছে তাই তোমায় দিতে চাই। তুমি রাজি?(ঠোটে দুষ্টু হাসি টেনে)
সরি তুমি করেই বল্লাম কারণ এনাউন্সমেন্ট এই শুনেছি তুমি ২য় বর্ষের ছাত্রী।
--( আমিও হেসে ফেল্লাম) মজা নেয়া হচ্ছে?

-- একদমি না মিস কিউটি
ইনফ্যাক্ট তোমার গাওয়া গানটা তোমার এই বাহ্যিক মোহনিয়তা তে আরো এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
-- হা হা
-- ওয়াও হাসিটাও ভিষন সুন্দর।আচ্ছা আমরা কোথাও বসে কথা বলতে পারি?
-- সরি ভাইয়া আমাকে এখন যেতে হবে অন্য কখনো বসে কথা হবে
-- আচ্ছা এটলিস্ট তোমার ফোন নম্বরটা তো দিয়ে যাও যদি আপত্তি না থাকে

-- আমার ফোন নম্বর তো তোর কাছে আছেই তাইনা? ওর ব্যাপারে জানতে আমাকে ফোন দিলেই হবে।
(পিছন থেকে কখন মিনহাজ ভাইয়া আমাদের কথোপকথন ফলো করে চলেছে, আর উত্তরটা সে ই দিয়েছে)

-- তোকে ফোন দেবো মানে? তোকে কেনো?
-- কারন অনু আমার কাজিন, এবং হবু বউ ও। সুতরাং বুঝতেই পারছিস কেনো ওর সব খবর আমার কাছে থাকবে
-- আচ্ছা রিয়েলি? শুভ কামনা তোদের জন্য, কংগ্র‍্যাটস অনু।আজ আসি অন্যদিন কথা হবে বায় ( বিব্রতভাবে)

রিক্সার জন্য দাড়িয়ে আছি। যেই এক্টা রিক্সাকে ডাক দিলাম,আচমকা মিনহাজের বাইক এসে আমার গা ঘেসে দাড়ালো
-- ওঠ
-- না আমি রিক্সায় যাবো
-- উঠতে বলেছি উঠবি অতিরিক্ত কথা বলিস কেনো
-- আজব তুমি তোমার মত যাওনা আমাকে নিয়ে টেনশনের দরকার নেই তো
-- টেনশন তো নিতে চাইনা।কিন্তু বাধ্য হচ্ছি।যেহেতু সবাই জেনে গেছে তুই আমার হবু বউ এখন একা গেলে ব্যাপারটা খারাপ দেখাবে।
-- কেনো? সবাই জানলো কেনো?আমি তো বলিনি। তুমি ই বল্লে
-- আহা খুব প্রাউড হচ্ছে তাইনা?মিনহাজ মাহমুদের বউ হবি তোর সাত জন্মের কপাল।এমন বর পাওয়া।
-- এভাবে বলছো কেনো আশ্চর্য,
-- মায়ের ইচ্ছার মুল্য দিতে দয়া করে তোর মত এক্টা আবাল কে বিয়ে করছি যে নইলে...
-- নইলে কি? আচ্ছা থাক বলতে হবেনা
-- তামাসা ক্রিয়েট না করে উঠে বস এমনিতে অনেক তামাসা করেছিস
-- মানে? কি করেছি আমি?
-- নিজেকে কি শ্রেয়া ঘোষাল ভাবিস? গান গেয়ে বেড়াস। লোকদের কে ইমপ্রেস করতে তাইনা? তুই আসোলেই একটা পেইন

-- আমি ইচ্ছা করে.....
-- এই চুপ ব্যাঙ এর মত ভয়েস নিয়ে আসছে ইমপ্রেস করতে। লজ্জা থাকলে এমন কাক ভয়েসে আর গান করতে আসিস না।

এরপর আর কান্না চেপে রাখা সম্ভব হয়নি
এতো অপমান কেউ নিতে পারে?
আমিও পারিনি।
বাসায় এসে অনেক ভেবেছি, আসোলেই তো!! মিনহাজ ভাই কত সুন্দর, কত লম্বা সুদর্শন
কি চমৎকার তার চোখদুটো, চাহনিতে যেনো মাদকতা।
এতো ট্যালেন্ট এত ভালো জব করে, আমাকে এক্টুও সহ্য করতে পারেনা আমার সব কিছু খারাপ তার কাছে
নিঃসন্দেহে আমার চেয়ে অনেক ভালো কাউকে ডিজার্ভ করে সে।

না আমি আর তার লাইফে পেইন হবোনা
সাথে সাথেই মা বাবাকে ডেকে জানাই, মিনহাজ ভাইকে বিয়ে করা কোনোভাবেই সম্ভব না আমার পক্ষে।
কারণ আমি অন্য কাউকে পছন্দ করি।
প্রথমে মা বাবা অনেক রেগে গিয়ে খুব বকাঝকা করে
পরে আর বেশি বাড়াবাড়ি করেনি কারন তাদের একমাত্র মেয়ের ইচ্ছা অনিচ্ছাকে তারাও ইগনর করতে পারেন্না

দুদিন পর....
ক্লাস শেষে বাসায় যাওয়ার জন্য বের হয়েছি মাত্র

রোডে এসে দাড়াতেই হঠাৎ মিনহাজ ভাইয়া বাইক নিয়ে এসে হাজির।
আমার মনে হলো সে ভিষণ রকম অগ্নিমূর্তি ধারন করে আছে যেনো।
কিন্তু তার তো এই সময়ে অফিসে থাকার কথা

-- তোর এতবড় সাহস হয় কিকরে আমাকে বিয়ে করতে না করার?তোর অন্য কাউকে পছন্দ?
তোর মত থার্ডক্লাস মেয়ের পছন্দ ও হবে থার্ডক্লাস। ভার্সিটি যাস প্রেম করতে তাইনা?আবার বর্ষবরণে শাড়ি পরে ওসব থার্ডক্লাসদের ইম্প্রেস করতে যাওয়া হয়

(মুহুর্তে আমার পায়ের রক্ত মাথায় উঠে গেছে)
-- কি বল্লে? আমি থার্ডক্লাস? রেস্পেক্ট করি বলে তোমাকে বিয়ে করতে না করতে পারবোনা? মাথা কিনে নিয়েছো নাকি? ফালতু এক্টা। অসহ্য এই কে তুমি হ্যা?
(সে ভিষন অবাক দৃষ্টি মেলে চেয়ে আছে)
-- কোনো প্রশ্ন করবিনা বাইকে উঠে বস
-- আমি কোথাও যাবোনা এখন
-- এই তোকে না কোনো প্রশ্ন করতে নিষেধ করেছি( চিৎকার করে)
-- আজিব আমার ক্লাস আছে এখন কোথাও যেতে পারবোনা।যাও তুমি ( চিৎকার করে)

আচমকা বাম গালের মধ্যে কারো শক্ত হাতের কঠিন থাপ্পড় খেলাম।
টাল সামলাতে না পেরে দু কদম পিছে পড়ে যাই।ব্যাথায় ককিয়ে উঠি কাঁদতে শুরু করি,
সে আমাকে টেনে তোলে। আমি সরে যেতেই এক টানে নিজের বুকের মাঝে নিয়ে নেয়।
আমি কিছু বলতে যাবো তার আগেই আমার ঠোঁটজোড়া সে তার নিজের ঠোটের দখলে নিয়ে নেয়।
আমি হাজারো ছাড়ানোর চেষ্টা করেও পারিনি।শুধু ঝরে চলছে চোখের নোনা জল

এরপর আর কথা বলার সুযোগ ই পাইনি।
এক টানে তার বাইকে টেনে নিয়ে বসালো
পুরো রাস্তা ভয়ে শুধু কেঁদেছি।কারন মিনহাজ ভাই রাগি সেটা জানতাম কিন্তু আজকের মতো তার এমন অগ্নিরুপ আগে কখনো দেখিনি।
কিন্তু ভেবে পাচ্ছিনা আমার দোষটা কি?সে ই ত চায়না আমাকে বিয়ে করতে
কেনো এমন করছে সে।

বাইক থেকে নেমে ব্রিজের রেলিং ধরে দাড়িয়ে আছি
চোখের পানি যেনো আজ আর বাঁধ সাধতে চাইছেনা
মিনহাজ বাইক পার্ক করছে

হঠাৎ দুই বাহুর মাঝে কারো স্পর্শে চমকে উঠলাম
সে আমাকে তার দিকে ঘুরিয়ে ঠিক আমার সামনে খুব কাছাকাছি এসে দাড়ালো
সে একদৃষ্টিতে আমার দিকে চেয়ে আছে
কিন্তু আমি তার মাদকতাময় ওই চাওনিতে তাকাতে পারছিনা।
ভিষন আশক্তি ওই চাহনিতে

-- অনু আমার দিকে তাকাও(বিক্ষিপ্তভাবে)
--....
-- তোমার গায়ে হাত তুলতে চাইনি জানিনা কি হতে কি হলো।
আসোলে আজকে আমি খুব অগোছালো অনুভব করছি।
কারণ তুমি শুধুমাত্র থাপ্পড় ডিজার্ভ করোনা।তোমাকে খুন করে ফেলা উচিত
-- কি? (আমি যেনো আকাশ থেকে পড়লাম)
-- ইয়েস, এই মিনহাজ মাহমুদ তার লাইফে শুধু দুজন নারীকেই আসতে দিয়েছে এক, তার মা। দুই, এখন যে আমার সামনে দাড়িয়ে আছে
এই দুটো মানুষ কে আমি এতটা ভালোবেসেছি, এবং ভেবে এসেছি এরা আমার প্রপার্টি,

সে হিসেবে তুমিও এই মিনহাজের ই প্রপার্টি।আর যখন তুমি মিনহাজকে রিজেক্ট করেছো তখনি তুমি বেঁচে থাকার অধিকার হারিয়েছো
-- অদ্ভুত তুমিই তো আমাকে পছন্দ করোনা। তুমি বলেছো আমি তোমার লাইফের আপদ।আমাকে তো সহ্যই করতে পারোনা,আমার সবকিছুতে তোমার প্রবলেম
-- হ্যা তোমার সব কিছুতে প্রবলেম আমার। কারণ আমি চাইনা অন্য কেউ তোমাতে মুগ্ধ হোক,চাইনা অন্য কেউ তোমার মাদকতায় ডুবে যাক,অন্য কেউ তোমার চুলের সৌন্দর্য উপভোগ করুক,
তুমি ওই মিস্টি ভয়েসে শুধু আমার জন্য গাইবে।আর কারো জন্য না!!
(আমি অবাকের চুড়ান্ত পর্যায়ে পৌছে যাই)
তুমি কি জানো তুমি শাড়ি পরলে দুনিয়াতে পরি নেমে আসে
তোমার দৃষ্টিতে দৃষ্টি রাখলে হাজারবার আমার হার্টবিট এর ছন্দের মৃত্যু হয় (গলা ধরে আসে তার)
-- এত অনুভুতি তুমি তো কখনো বোঝার সুযোগটা দাওনি
-- জমিয়ে রেখেছিলাম।ভেবেছি এটা তো আমার সম্পত্তি (আমার ডান হাতটা তার বুকের মাঝে রেখে)ভেবেছি এটাকে যখন সম্পুর্ন নিজের করে পাবো তখনি সবকিছুর বহিঃপ্রকাশ করবো।
কিন্তু তুমি আমার থেকে.......
তাকে আর কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে ঝাপিয়ে পড়ি তার বুকে ,
(চোখের পানিরাও আজ বেহায়া হয়েছে অঝোরে ঝরেই চলছে)
সেও শক্তভাবে আমাকে নিজের সাথে চেপে রাখে।

-- অনু(জড়িয়ে রেখেই)
-- হু
-- ভালোবাসোনা?
-- অনেক ভালোবাসি
-- বিয়ে করবেনা আমাকে
-- এখনি বিয়ে করবো
-- সত্যি
-- হাজারবার সত্যি

কপালে তার কোমল ঠোঁটের উষ্ণ স্পর্শ এঁকে দিলো
আমিও পরম আবেশে চোখ বুঝে রই ভালোবাসার আবেগে।

♥♥♥♥সমাপ্ত♥♥♥♥

ভূল ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃস্টিতে দেখবেন
ধন্যবাদ☺

লিখা --- ইশরাত জাহান অনুভা

0 Comments Here
Authentication required

You must log in to post a comment.

Log in
Related Post
শিউলি পরীর..
শিউলি পরীর দেশে রুপকথার গল্প

হাপিত্যেশ করে দাঁড়িয়ে থাকে, শিউলি ফুলের গাছটা, গলিটার মােড়ের দিকে একদৃষ্টে চেয়ে । খা খা দুপুরে..


রাজপুত্রের বিয়ে
রাজপুত্রের বিয়ে

আজ অগ্নিদ্বীপের রাজপুত্রের বিয়ে। সমস্ত রাজ্যে তাই উৎসব, এমন সমারােহ কেউ কোনােদিন দেখেনি।

পাত্রী মরকতপুরের রাজকন্যা..


মজা করার..
মজা করার গল্প

ফেসবুক ব্রাউজ করছিলাম রাত প্রায় ২ টা বাজে।এমন সময় একজন মেসেজে নক করল...
-এই আপনার..